ফিরোজ মাহমুদ :
কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ন সাধারন সম্পাদক ও ভেড়ামারা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এ্যাড. তৌহিদুল ইসলাম আলম বলেছেন, ভেড়ামারায় বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে কোন ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে নি। মঙ্গলবার রাতের ওই ঘটনায় জনসাধারনের কাছে ভুল ম্যাসেজ গিয়েছে। যা বিভ্রান্তি এবং মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। তিনি বলেন, প্রকৃত ঘটনা হলো, বিএনপি নামধারী কতিপয় উচিছংখল যুবক আওয়ামীলীগের মত ভেড়ামারা ডাকবাংলোর একটি রুম দখল করেছিল। এ সংবাদ জানার পর সরকারী স্থাপনা ডাকবাংলো দখলদারদের থেকে উচ্ছেদ’র প্রয়োজন অনুভব করে। মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে বিএনপির মূলধারার নেতাকর্মীরা ডাকবাংলোর ওই রুমের চাবী উদ্ধার করে ভেড়ামারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার আকাশ কুমার কুন্ডু’র কাছে রাতেই তুলে দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, সরকারী স্থাপনা সরকারের কাছেই থাকবে। কোন দল বা গোষ্টির রাজনৈতিক কর্মকান্ড পরিচালনা করার অফিস হতে পারে না। গত ৫ অগাষ্ট বিজয় অর্জনের পর আমাদের নেতৃত্বে মূল বিএনপির নেতাকর্মীরা সরকারী স্থাপনা রক্ষা, লুটপাট, ভাংচুর’র হাত থেকে ভেড়ামারাবাসী কে রক্ষা করেছে। আমি এবং আমার দলের কেউ এই ধ্বংসাত্বক কাজের সাথে জড়িত থাকতে পারবে না। থাকলেই তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
গতকাল বুধবার রাত ৮টার দিকে ভেড়ামারা কোচষ্টান্ড সংলগ্ন উপজেলা বিএনপির কার্য্যালয়ে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন। এসময় বিএনপি নেতা আবু মোহাম্মদ নুরু ভিপি, জানবার হোসেন চেয়ারম্যান, আনোয়ারুল আজীম বাবু, উপজেলা যুবদলের আহাবায়ক শামীম রেজা শামীম, সদস্য সচিব মোশাররফ হোসেন, বিএনপি নেতা শফিকুল ইসলাম বিশু, শফিকুল ইসলাম ডাবলু, মজিবর রহমান বাবু মন্ডল, জাহিদুর রহমান রঞ্জু, বিপ্লব প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।